Read more
মুমিনদের জন্য কেন রমজান মাস গুরুত্বপূর্ণ
ইসলাম ধর্মে পাচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম একটি স্তম্ভ। রমজান মুসলমানদের জন্য আল্লাহর তরফ থেকে এক বিশেষ রহমত
স্বরূপ। কোরআন এবং হাদীসে এই পবিত্র রমজান সম্পর্কে সুষ্পষ্ট বিধান রয়েছে। প্রত্যেক
সক্ষম মুসলমান নর-নারীর উপর রমযান মাসের রোযা বা সিয়াম সাধনা বাধ্যতামূলক/ফরয করা
হয়েছে। যা অবশ্য পালনীয়। আল্লাহতা’লা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর রমজানের
রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল
তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা মুত্তাকীম (পরহেজগার) হতে পার ।-আল কুরআন।
এক রেওয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে, রোজাদারের পুরস্কার স্বয়ং আল্লাহপাক
প্রদান করবেন। এক হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে, রোজা মুনিনের
জন্য ঢাল আর রোযাদারের পুরষ্কার আল্লাহ পাক স্বয়ং নিজ
হাতে প্রদান করবেন। তেমনি আল্লাহর এই বিধানকে যারা অমান্য করবেন বা এই ফরয ইবাদ
থেকে বিরত থাকবেন তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি। কারন এই মাসকে আল্লাহতায়ালা
মুমিনদেরকে এই মাস পুরষ্কার ও বোনাস হিসাবে প্রদান করেছেন।
এ মাসে কি কি করা হয় ?
= এটা হল মাগফিরাতের মাস, জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস।
= এ মাসে হেদায়াতের আলোকবর্তিকা আল-কোরআন নাজিল হয়েছে।
= এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়।
= এ মাসে রয়েছে লাইলাতুল কদর যা হাজার মাস থেকে শ্রেষ্ঠ।
= এ মাসে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।
শয়তানকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়।
পবিত্র রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব যেমন বেশি, তেমনি
পাপ/গুনাহ করলে এর শাস্তিও বেশি। বিশেষ
করে ইচ্ছাকৃত রোজা না রাখলে যে কঠিন শাস্তির হুকুম এসেছে, সেই ব্যক্তি ইহকালে তা না পেলেও পরকালে তার শাস্তি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
সুতরাং আমরা সবাই আশা করি, নাফারমান
বে-রোজাদার মুসলিম সম্প্রদায় এই ভয়াবহ আজাবের কথা জেনে,
মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তওবা করবেন এবং অবশ্যই অবশ্যই যথাযথ নিয়মে
পরিপূর্ণ রোযা রাখবেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি সকল মুসলিমকে রমযানের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা
করে সহীহভাবে রোযা রাখার তৌফিক দান করুক। আমিন...।



0 Reviews